• Breaking News

    চা- সিগারেটের জন্য ভুটান থেকে ভারতে....

    ধূমপান কিংবা চা পা‌নের জন্য এক দেশ থে‌কে আরেক দে‌শে সীমান্ত পে‌রি‌য়ে অন্য দে‌শে যাওয়া ভাবা যায়?সেটাই ঘ‌ট‌ছে ভুটান ভারত সীমা‌ন্তে।


    ভার‌তের প‌শ্চিমব‌ঙ্গের কোচ‌বিহার জেলার জয়গাঁও সীমা‌ন্তে এসে সিগা‌রেট কিংবা চা পান ক‌রেন ভুটা‌নে যাওয়া শত শত পর্যটক।ভুটানের সীমান্ত শহর ফো‌য়েন্ট‌শো‌লিং‌য়ে যারা ধূমপান ক‌রেন তারা সীমান্ত পা‌ড়ি দি‌য়ে ভার‌তের অং‌শে চ‌লে আসেন।ধূমপান শেষ ক‌রে ফের ভূটান অং‌শে চলে যান।কারন, ভূটানে পাব‌লিক প্লে‌সে ধূমপান পু‌রোপু‌রি নিষিদ্ধ।‌কেউ য‌দি ধূমপান ক‌রে আইনশৃঙ্খলা বা‌হিনীর হা‌তে ধরা প‌ড়েন তাহ‌লে স‌ঙ্গে স‌ঙ্গে জেল কিংবা বড় অং‌কের জ‌রিমানা গুন‌তে হ‌য়। এ জন্য ভূটানের শহরগু‌লো‌তে সিগা‌রেট পাওয়া যায় না।বাই‌রে থে‌কে সিগা‌রেট নি‌লেও শতভাগ ট্যাক্স দি‌য়ে হোটেল রু‌মে কিংবা বাথরু‌মে খে‌তে হয়।ফ‌লে ভুটা‌নে ঢুকার পর বেশ বিপা‌কেই পড়‌তে হয় ধূমপায়ী‌দের।এ জন্য যারা সড়ক প‌থে ভুটান যান তারা অনেকেই সীমান্ত পে‌রি‌য়ে ভারত এসে চা কিংবা সিগা‌রেট পান ক‌রেন।আস‌লে সীমান্ত বল‌তে ভুটা‌নে যে বিষয়টা র‌য়ে‌ছে তা একে‌বা‌রে না‌মে মাএ।ভুটান ও ভারত অংশ থে‌কে সবাই সীমান্ত পে‌রি‌য়ে নি‌র্বি‌ঘ্নে চলা‌ফেরা কর‌ছেন দুই দে‌শে।ভুটান সীমা‌ন্তে তিন‌টি গেট।রাজকীয় কারুকার্যময় সদর দরজা দি‌য়ে দুই দে‌শের যানবাহন চলা‌ফেরা করে।এর পা‌শে আরো দু‌টি গেইট র‌য়ে‌ছে।তার এক‌টি দি‌য়ে ভুটান ডুক‌তে হয়।অন্যটি ভুটান থে‌কে বেরবার পথ।দু‌টি গে‌টেই ভুটা‌নের কা‌লো পোশাক পরা রক্ষীরা র‌য়ে‌ছে।তা‌দের সাম‌নে দি‌য়েই অবা‌ধে লোকজন আসা যাওয়া ক‌রে।শুধু সিগা‌রে‌টের জন্য নয়।চা খে‌তেও অসংখ্য মানুষ ভুটান থে‌কে ভারত আসে।কারন,ভুটা‌নের সীমান্ত শহর ফু‌য়েন্টশো‌লিংসহ কো‌নো শহ‌রেই ভার‌ত এবং বাংলা‌দে‌শের মত ফুটপা‌তে চা‌ কিংবা পান ,বি‌ড়ি, সিগা‌রে‌টের দোকান নেই।ভুটা‌নের ফুটপাত পথচারী‌দের জন্য অবা‌রিত।সেখানে দোকান বসা‌নোর কো‌নো সু‌যোগ নেই। দুপু‌রে ফু‌য়েন্ট‌শো‌লিংয়ের হোটেল নামগে‌তে দুপু‌রে খাবার শে‌ষে কোথাও চা‌য়ের দোকান খু‌জেঁ পাওয়া গে‌লো না।আমা‌দের ভ্রমন সঙ্গী‌দের একজন ডা. আতাউর রহমান বল‌লে চলেন  ইন্ডিয়া থে‌কে চা খে‌য়ে আসি।‌গেটের এপার থে‌কে ওপা‌রে ভার‌তের জয়গাঁও দেখা যায়।‌নো ম্যানস ল্যান্ড ব‌লে কিছু নেই এখা‌নে।আমরা ভুটান থে‌কে জয়গাঁও গি‌য়ে কিছু চা‌য়ের দোকান খুঁজ‌তে থা‌কি।অবশ্য ভর দুপু‌রে খাবা‌রের সময় কো‌নো দোকানেই চা মিলল না।‌ভেত‌রে অজানা ভয় ছি‌লো ,আর য‌দি ভুটা‌নে ঢুক‌তে না পা‌রি।বুক ফু‌লি‌য়ে আমরা আবার অন্য গেইট দি‌য়ে ভুটান ঢু‌কে প‌ড়ি।‌যেন মামার বা‌ড়ি‌তে বেড়া‌তে এসে‌ছি। ভুটান দেশটা পু‌রোটাই পাহা‌ড়ের ওপ‌রে।তাই প্র‌ত্যেক মানুষ‌কে পাহ‌া‌ড়ের ওপর দি‌য়ে চল‌তে হয়।আর পাহা‌ড়ে প্রচন্ড ঠান্ডা।এ জ‌ন্যে প্র‌তি‌টি বাসায় অথি‌তি আপ্যায়নে ম‌দের স‌ঙ্গে দেওয়া হয় পান।তার স‌ঙ্গে থা‌কে কাচা সুপা‌রি।আ্যাল‌কোহল শরীর‌কে ঠান্ডার হাত থে‌কে বাঁচায়। একই স‌ঙ্গে পান শরীর‌কে গরম রা‌খে।


    No comments